The Age of Sensibility (1745 – 1785/98)
- এ যুগকে Age of Johnson ও বলা হয়।
- Alexander Pope- এর মৃত্যুর পর এবং Lyrical Ballads প্রকাশের সাথে সাথে এই যুগ শেষ হয়।
- French Revolution (1789) এই যুগের ঘটনা।
- Voltaire, Rousseau এ যুগের অন্যতম রাজনীতি সচেতন লেখক।

Benjamin Franklin (বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন)
- তিনি একজন দার্শনিক
Quotations :
- Early to bed and early to rise makes a man healthy, wealthy and wise.
- Honesty is the best policy.
- Admiration is the daughter of ignorance.

Henry Fielding (1707-1754)
Brief History: He (1707-1754) was an English novelist and dramatist known for his rich earthy humour and satirical prowess. He is considered to be the father of English novel. His Pen name was "Captain Hercules Vinegar".
His well-known works :
- An Apology for the Life of Mrs. Shamela Andrews
- Joseph Andrews
- Tom Jones (novel)
- Top Secret (novel)
Tom Jones :
টম বেজন্মা। তার পিতা ও মাতার পরিচয় অজ্ঞাত থাকার ফলে সমাজের চোখে সে ঘৃণিত, অবহেলিত, কিন্তু উদারচিত্ত পরোপকারী টম সবার চিত্তে নিজের স্থান করে নিয়েছিল। এমন কি সোফিয়ার বাবাও তার কাছে নানাভাবে উপকৃত। অথচ সোফিয়ার বাবা ওয়েস্টান কিছুতেই সোফিয়ার সঙ্গে বিবাহ দিতে সম্মত নয়। এমন কি সোফিয়ার পিসির অমত। কারণ টম বেজন্মা। অথচ বেজন্মা জেনেই টমকে ভালবেসে ছিল সোফিয়া, কারণ টমের হৃদয় যে বিশাল। সেই বিশাল হৃদয় পুরুষ নারীর প্রেমকে লাঞ্ছিত করতে পারে না এই কথা জেনেই সোফিয়া ভালোবেসেছিল টমকে। যদিও টমের ক্ষণিক চরিত্র দুর্বলতার কথা তার অগোচরে ছিল না। বিশেষ করে মলির সঙ্গে টমের অবৈধ প্রণয়ের কাহিনী তার জানা ছিল। তা সত্ত্বেও সে পিসির মুখের উপর জবাব দিয়েছে যে টমকে সে ভালবাসে এবং তাদের মনোমত পাত্রকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করার চেয়ে ভালবাসা নিয়ে সে মৃত্যুকে বরণ করতে চায়। 'I intended to have carried them with me to my grave.' শেষ পর্যন্ত সে পিতা ও পিসির সতর্ক দৃষ্টি এড়িয়ে টমের জন্য নিরুদ্দেশ পথের যাত্রী হয়েছে। তবে মিলনের পথে টমের এই বেজন্মা পরিচয় কোথাও বাধাঁ হয়ে দাঁড়ায়নি। যে বিষয়টি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সেটি টমের ক্ষণিক চারিত্রিক দুর্বলতা বা বিচ্যুতি। বারবার তা পুনরাবৃত্ত হতে দেখে সোফিয়া অভিমান করে মিলনের পথে নিজেই অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সে ইচ্ছে করেই বিলম্বিত করেছিল। সে চাইছিল টম পরিশুদ্ধ হলেই তবে মিলনের লগ্ন আসবে, তা নাহলে সারা জীবন কুমারী হয়ে থাকবে। সমস্ত প্রলোভনকে উপেক্ষা করেছে এমন কি নিজের পবিত্রতাকে সে আগুনের মত রক্ষা করেছে এবং শেষ পর্যন্ত সে তার সাধনায় বিজয়িনী হয়েছে, যখন টম তার চরিত্রকে করেছে সংযত এবং সংহত, যখন সে সোফিয়ার প্রস্তাবে সম্মত হয়ে স্বীকার করেছে যে সোফিয়ার জন্য পুরো একবছর সংযত জীবন যাপন করবে এবং আপন চরিত্রকে নির্মল রাখবে।
সুতরাং টমের জন্মরহস্য যখন উদঘাটিত হয়েছে এবং সে বেজন্মা নয় বলে যখন সমাজের কোলে স্থান পেয়েছে এবং প্রভূত সম্পত্তির মালিক হয়েছে এসব ঘটনা কিন্তু তাদের মিলনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। কারণ প্রেমিক-প্রেমিকার কাছে এসব ঘটনা নেহাৎ-ই তুচ্ছ। যেমন বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি বিস্নফিল এবং বিশ্বাসঘাতকতা ও গভীর ষড়যন্ত্রের কাহিনী। তবু তাদের মিলনের বিলম্ব হেতু যে সময়টুকু অতিবাহিত হয়েছে তার মধ্যে যে ঘটনা ঘটেছে তা ইংল্যান্ডের সমাজ থোয়ককুম, ভদ্রবেশিনী চরিত্রহীনা মায়াবিনী যার কাজ হলো তরুণ ছেলের চরিত্র নষ্ট করা, লেডী বেলী স্টোন, ভদ্রবেশী নোংরা চরিত্রের পুরুষ লর্ড ফিল্লামর, মুখে মধু হৃদয়ে গরল ছলনাময়ী চরিত্রহীনা সুন্দরী মলি, আবার দোষগুণে গড়া মি. নাইটিঙ্গেল, মিসেস মিলার নানা চরিত্র ভীড় করে এসেছে। প্রত্যেকটি চরিত্রকে তিনি জীবন্ত করে তুলেছেন।
Joseph Andrews: (জোসেফ এ্যান্ড্রুজ: গল্প সংক্ষেপ) :
জোসেফ গরীব ঘরের ছেলে। সে স্যার টমাস বুবির বাড়িতে চাকরী করত। সে স্বপ্নেও ভাবেনি যে লেডি বুবি তার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়বে। তাঁর প্রেমের আহ্বানে সাড়া না দেওয়ায় জোসেফের ভাগ্যে বিপর্যয় নেমে এল। বিপদের সময়ে মহাপ্রাণ যাজক মি. আব্রাহাম অ্যাডামস তার পাশে দাঁড়ালেন। জোসেফ ফ্যানি নামের একটি মেয়েকে ভালোবাসত। ফলে ফ্যানিও লেডি বুবির আক্রোশের শিকার হলো। ঘটনাচক্রে জানা গেল জোসেফ এতদিন যাঁদেরকে তার পিতা-মাতা বলে জেনে এসেছে তাঁরা আসলে ফ্যানির পিতা-মাতা। তবুও অনেক নাটকীয় ঘটনার পর জোসেফ ফ্যানিকে বিয়ে করল।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Samuel Johnson (1709-1784)
Brief History: Samuel Johnson (1709-1784) was an English writer who made lasting contributions to English literature as a poet, essayist, moralist, literary critic, biographer, editor and lexicographer. Samuel Johnson compiled English Dictionary in1755.
His well-known works :
- A Voyage to Abyssinia
- London: A Poem
- The Vanity of Human Wishes
- The Tragedy of Irene
- The Patriot (Pamphlet)
- Preface to Shakespeare
- The False alarms
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Thomas Gray (1716-1771)
(টমাস গ্রে)
১৭১৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ ডিসেম্বর কর্নহিল নামক স্থানে টমাস গ্রে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা ফিলিপ গ্রে ছিলেন লন্ডন শহরের একজন খ্যাতিমান দলিল লেখক। গ্রের শৈশবকাল কেটেছে বিশাল একটি পরিবারে এতিম সন্তানের মতো। ছেলেবেলাটা তাঁর খুবই যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়েছে। কারণ তাঁর পিতা সর্বদা তার মায়ের প্রতি রূঢ় আচরণ করতেন।
১৭৬৮ সালে ক্যামব্রিজে সমকালীন ইতিহাসের অধ্যাপক নিযুক্ত হন। ১৭৭১ সালের ৩০ জুলাই এই মহান কবি লোকান্তরিত হন।
Brief History: He (1716-1771) was an English poet, letter-writer, histori-an. classical scholar and professor at Cambridge University.
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
- তার বিখ্যাত দুটি কবিতা হলো “Elegy Written in a Country Churchyard” ও “Ode on the Death of a Favourite Cat.”
- অনেকে মনে করেন "Elegy Written in a Country Churchyard" এই কবিতাটিই Tomas Gray কে সাহিত্য জগতে অমর করেছে।
- "Elegy Written in a Country Churchyard" কবিতায় বিখ্যাত কয়েকজন ব্যক্তির নাম এসেছে। তারা হলেন Hampden, Milton, Cromwell. এছাড়াও দেবী Muse এর কথা আছে যিনি ছিলেন দেবতা Zeus এর কন্যা।
His well-known works:
- The Paths of Glory
- Celestial fire
- Far from the Madding Crowd (novel)
- Kindred spirit
- Elegy written in a country churchyard
"Full many a flower is born to blush unseen and waste its sweetness on the desert air" The line is from Gray's Elegy written in a country Churchyard."
Thomas Gray(Poet) Fr Elegy Written in Country Churchyard
মনে রাখার কৌশল :
EG লোড থেকে মনে রাখা যায়। E = Elegy আর G = Gray। তাই Thomas Gray এর বিখ্যাত Elegy হল = Elegy Written in Country Churchyard.
Ode on the Death of a Favourite Cat
কবিতার সারসংক্ষেপ:
কবি টমাস গ্রে তাঁর "Ode on the Death of a Favourite Cat Drowned in Tub of Glod Fishes" কবিতাটি রচনা করার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন তাঁর বন্ধুর পোষা দুটো বিড়ালী থেকে। এ কবিতায় কবি রূপকের আবরণে সেলিমা নামের এই বিড়ালীর জলের পাত্রে রাখা সোনালি মাছের প্রতি লোভের দিকটি উন্মোচন করতে গিয়ে রমণী জাতির চাকচিক্যের প্রতি আকর্ষণের দিকটি তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন। বিড়ালী যেমন সোনালি মাছের লোভসামলাতে না পেরে শেষে পাত্রের পানিতে পড়ে গিয়ে প্রাণ হারায় তেমনি রমণীকূলও স্বর্ণ আর চাকচিক্যের লোভে আকৃষ্ট হয়ে অনেক ক্ষেত্রেই ভুল করে বসে। কবি সেই সব রমণীদের হুঁশিয়ার করে বলেছেন; তারা যেন প্রতারণার শিকার না হয় সস্তা চাকচিক্যে মোহে তারা যেন এই বিড়ালীর মতো ভুল পদক্ষেপ গ্রহণ না করে। বিড়ালীর মতোই রমণী প্রতারিত হলে তাকে কেউ রক্ষা করতে এগিয়ে আসবে না, নিজেরই ভুলের কারণে পতন ঘটবে তার। কবি রমণীকুলকে আরো সতর্ক করে বলেন, সব চকচকে জিনিসই স্বর্ণ নয় সেটা যতোই আকর্ষণ করুক না কেন। মোট কথা কবি এখানে রমণীরা যে সস্তা চাকচিক্যের ভুলে অনেক ক্ষেত্রে ভুল পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিড়ালীর প্রতীকে সেটাই তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন।
Thomas Gray এর বিখ্যাত গ্রন্থ Elegy Written in a Country Churchyard এর সার সংক্ষেপে:
সারাংশ:
শোকগাথা হিসেবে 'এলিজি রিটেন ইন এ কান্ট্রি চার্চইয়ার্ড' ইংরেজি সাহিত্যে শ্রেষ্ঠতম। সহজসরল গ্রামীণ কৃষকদের জীবন বৃত্তান্ত তুলে ধরে কবি গ্রে এক সাধারণ জন গোষ্ঠীর জীবনকে করুণায়, মমতায়, সহানুভূতিতে সিক্ত করে অসাধারণ করেছেন। তারা সকলেই ছিল গ্রামীণ কৃষক; কঠিন কঠোর পরিশ্রমে বাঁধা ছিল তাদের জীবন। তারা সকলে আজ সরু কবরে শায়িত। তাদের জীবনে বহু সম্ভাবনা ছিল কিন্তু সে সম্ভাবনার দ্বার কখনো উন্মোচিত হয়নি। এসব গ্রামীণ মানুষেরা জীবনের জটিলতায় জড়ায়নি কখনো। অনাচারে জড়ায়নি, তোষামোদীতে জড়ায়নি, রাজদ্রোহে জড়ায়নি, সত্যের দ্বার উদ্ঘাটনে বাধা হয়নি, রক্তাক্ত যুদ্ধে লিপ্ত হয়নি অথচ ক্রমওয়েল বা মিল্টন হবার যোগ্যতা হয়তো তাদের মধ্যে কারও থাকতে পারত।
গ্রামীণ মানুষের জীবন চিত্রিত করতে গিয়ে কবি গ্রামের রূপও চিত্রিত করেছেন নিখুঁতভাবে। জীবন আজো সেখানে তেমনি প্রবহমান। মরণের ওপারে যারা, তারা আর কোনো দিন ফিরে আসবে না জীবনে। তাদের সমাধিতে নেই কোনো স্মারক স্তম্ভ, নেই কোনো বাণী। অভিজাতরা যেন এই দরিদ্রদের নিয়ে উপহাস না করেন। কবি বলেন, এদের জীবনে আড়ম্বর না থাকলেও মনুষ্যত্বের বিচারে তারাই খাঁটি মানুষ, তাদের সমাধিগুলো যত জীর্ণ, শীর্ণই হোক, যত দরিদ্রই হোক দেখতে।
গ্রামীণ এসব মানুষদের জীবন গাঁথা রচনা করে কবি নিজেকেও তাদের দলভুক্ত করেছেন। একদিন সবার অজান্তে জীবনের পরপারে চলে যাবেন কবিও, আজ যাদের জীবনের করুণ চিত্র তুলে ধরছেন, কবির জীবনের পরিণতিও হবে তেমনি করুণ। প্রত্যহ তাকে যে পথে আসতে যেতে দেখল না, পর দিন তার শবযাত্রা দেখল গির্জার পথে। যে কবি আনমনে পথ চলত, কখনো আপন মনে কথা বলত, একাকী সূর্যোদয়ে কী যেন খুঁজত সে কবিও মৃত্যুর পরপারে চলে গেল।
কবি গ্রে নিজেকে সাধারণ মানুষের সারিতে রেখেই যেন বেশি আনন্দিত। গ্রামীণ কৃষকেরা আর কবি গ্রে এক হয়ে গেলেন মরণে। কবি গ্রে'র শ্রেষ্ঠত্ব এখানেই, তিনি নিজেকে ভিন্নতর উচ্চতর পর্যায়ভুক্ত করেননি সাধারণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখেছেন।

Oliver Goldsmith (1728-74)
(i) Oliver Goldsmith এক জন Irish novelist, playwright and poet.
(ii) অলিভার গোল্ডস্মিথের সাহিত্য প্রতিভা বিচিত্রগামী হলেও যে গ্রন্থটির জন্য তিনি অমরত্ব লাভ করেছিলেন সেটি হলো একটি উপন্যাস "দি ভাইকার অব ওয়েকফিল্ড” (The Vicar of the Wakefield) (১৭৭৬)
(iii) He is thought to have written the classic children's tale "The History of Little Goody Two-Shoes" (1765)
Notable works :
(i) The Vicar of the Wakefield (1766) (novel)
(ii) The Citizen of the World (1759) (Essay)
(iii) The Traveller (1764) (poem)
(iv) The Deserted Village (1770) (pastoral poem)
Quote: Handsome is that handsome does.
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Edmund Burke (12 January 1729 - 9July 1797)
এডমান্ড বার্ক বিখ্যাত তার "Speech on the East Indian Bill" এর জন্য। এটি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে পড়ানো হয়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
- Edmund Burk ছিলেন একজন Parliamentary Member.
- এছাড়াও তিনি একাধারে Author, Orator, Political Theorist Philosopher.
- তাকে বিবেচনা করা হয় The founding father of modern conservatism philosophy হিসেবে।
- তার বিখ্যাত Essay হলো Speech on East India Bill, Speech on conciliation with America, On American Taxation.
His well-known works :
(i) On American Taxation (1774)
(ii) Speech on Conciliation with America (1775)
(iii) Reflection on the Revolution in France (1790)

Lindley Murray (1745-1826)
Lindley Murray (1745 – 16 February 1826) was an American Quaker lawyer, writer, and grammarian, best known for his English-language grammar books used in schools in England and the United States.
- Father of English Grammar

William Blake (1757-1827)
Brief History: He (17571827) was an English poet, painter, and printmaker. He is both a poet and a painter.
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
i. William Blake কে অনেকে Romantic কবি হিসেবে বিবেচনা করেন।
ii. আসলে William Blake - Romantic Poet নন। তিনি হলেন Precursor of the Romanticism.
iii. তিনি একই সাথে ছিলেন Poet and Artist.
iv. তার রচিত বিখ্যাত দুটি গ্রন্থ হলো Songs of Innocence ও Songs of Experience.
v. তাকে বলা হয় Precursor of the Romantic Movement.
vi. অনেক সমালোচক তাকে Romantic Poet হিসেবে বিবেচনা করেন, আবার অনেকে তাকে Romantic Poet হিসেবে বিবেচনা করেন না।
His well-known works:
- Songs of Innocence and of Experience
- The Marriage of Heaven and Hell,
- The Four Zoas
- Jerusalem
- Milton a Poem
মনে রাখার কৌশল:
Milton এর বিয়েতে (Marriage) Blake- চারটি গান (Songs) গেয়েছিল।
Milton = Milton a poem
Marriage = The Marriage of Heaven and Hell.
Blake = William Blake
চারটি = The Four Zoas
Songs = Songs of Innocence and Songs of Experience
মেষ শাবক
কবি উইলিয়াম ব্লেক তাঁর 'মেষ শাবক' কবিতায় শিশুর স্বর্গীয় সারল্যকে যিশু খ্রিস্টের রূপকে প্রকাশ করতে প্রয়াস পেয়েছেন। কবি এখানে উল্লেখ করেন যে, মেষ শাবক ঈশ্বরের এক অপরূপ সৃষ্টি। শ্রভ্র লোমে ঢাকা এ প্রাণী যেন পুণ্যের সারল্য আর পবিত্রতাকে বহন করছে। যিশু জন্মগ্রহণ করেছিল জেরুজালেমের এক মেষ খামারে। এজন্য যিশু নিজেকে মেষ শাবক হিসেবে পরিচয় দিতেন। কবি বার বার মেষ শাবককে প্রশ্ন করে কে তোমাকে সৃজন করেছে, কে তোমাকে দিয়েছে আহার আর শুভ্র পোষাকের আবরণ। কবি বলেন তৃণময় প্রান্তরে মেষশাবকের মুখরিত কন্ঠস্বর যেন আলাদা রকম আবহ তৈরি করে। শেষে কবি স্বরণ করেন যিশুকে, যিনি মর্ত্যে আগমন করেছিলেন মেষ শাবকের মতোই শুভ্রতার প্রতীক হয়ে। কবি কিছু বলতে চান এই ছোট মেষশাবকের উদ্দেশ্যে। কবি বলেন, ক্ষুদ্র মেষশাবক মহান ঈশ্বরের অবারিত অসীম করুণা ধারা ঝরে পড়ুক তোমার উপর।
The Chimney Sweeper
কবি উইলিয়াম ব্লেক তাঁর 'The Chimney Sweeper' কবিতায় শিশু শ্রমের এক হৃদয় স্পর্শী চিত্র তুলে ধরেছেন। এ কবিতায় তিনি তার সময়ের ইংল্যান্ডের ইশটি অতি পরিচিত চিত্র তুলে ধরেছেন। সে সময় ইংল্যান্ডের যত্রতত্র চিমনি পরিষ্কারক হিসেবে হতদরিদ্র অনাথ শিশুদের দেখা যেত। দরিদ্র এই অনাথ শিশুদের নামমাত্র পারিশ্রমিকে অনেক ক্ষেত্রে শুধু দু'বেলা আহারের বিনিময়ে চিমনি পরিষ্কার করার মতো বিপজ্জনক কাজে নিয়োগ করা হতো। অনেক সময় চিমনি হতে পড়ে গিয়ে মৃত্যুবরণ করত অনেক শিশু শ্রমিক। উইলিয়াম ব্লেক-এর এ কবিতায় আমরা এ ধরনের একটি অনাথ শিশুর সাক্ষাৎ লাভ করি। যে শিশুর খুব অল্প সময়ে মা মারা যান এবং তার পিতা তাকে বিক্রি করে দেন। যে ব্যক্তি তাকে ক্রয় করে সে তাকে ক্রীতদাস হিসেবে ক্রয় করে এবং তাকে দ্বারা চিমনি পরিষ্কার করার মতো দূরহ কাজে লাগিয়ে দেয়। কবিতায় আমরা প্রত্যক্ষ করি এই শ্রমিকদের উপর মালিকেরা স্বেচ্ছাচার চালাত, তাদের স্বাধীনতা ছিলনা বলেই চলে। এদের মধ্যে টম নামে এক শিশু শ্রমিকের কোকড়া কোকড়া চুলগুলো জোর করে কেটে দিল মালিক। টম এতে খুবই দুঃখ পেল। কবিতায় মূল কথক যে শিশু শ্রমিক এই বলে সাত্মনা দিল যে চুল কেটে ফেলায় তার উপকার হয়েছে। কারণ তার চুলে আর কাজ করার সময় চিমনি কালির ঝলি লাগবে না। এতে করে টম মোটামুটি শান্ত হলো। কান্না বন্ধ করে সে ঢলে পড়ল নিদ্রার কোলে। সে স্বপ্নে দেখল একজন দেবদূত তার সামনে দন্ডায়মান তার হাতে এক উজ্জ্বল চাবি, সে চাবি দ্বারা সবাইকে মুক্ত করল। এরপর দেবদূত জানালো, টম যদি ভাল ছেলে হয়, তাহলে সে পিতা হিসেবে পাবে ঈশ্বরকে, আনন্দের কমতি হবে না কোনদিন। এরপর সকলে ঘুম হতে উঠে প্রতিজ্ঞা করল, কেউ তাদের কাজে ফাঁকি দেবে না। সবাই নিজ নিজ কর্ম করবে মনোযোগ সহকারে।
মোট কথা, কবি উইলিয়াম ব্লেক শিশুদের স্বপ্নের মাঝে মুক্তির সম্ভবনাকে প্রত্যক্ষ করিয়েছেন এবং এটা বলে সান্তনা দেয়ার প্রয়াস পেয়েছেন যে সবাই যেন নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে। তাহলেই প্রকৃত মুক্তি, প্রকৃত আনন্দ ফিরে আসবে তাদের আঙ্গিনায়
Holy Tharsday
কবি উইলিয়াম ব্লেক রচিত 'Holy Tharsday' কবিতায় গির্জায় আওতাভুক্ত দাতব্য বিদ্যালয়ের এক অসাধারণ চিত্র তুলে ধরেছেন ব্যঙ্গ বিদ্রুপের মাধ্যমে। দাতব্য বিদ্যালয়ের অসহায় শিশুরা কিরূপ অসহায় আর বৈষম্যের শিকার তারই এক করুণ চিত্র প্রত্যক্ষ করি আমরা এ কবিতায়। অসহায় এ শিশুদের ধর্মের বাণী দ্বারা উদ্বুদ্ধ করা হয় ধর্মীয় নিয়ম শৃঙ্খলার মাঝে তারা শাসিত হয় অথচ তারা ঠিক মতো পরিচর্যা এমনকি পেট পুরে আহারও দেওয়া হয় না। তত্ত্বাবধানের নামে তাদের পৃষ্ঠে পতিত হয় চাবুকের আঘাত। কবিতার শুরুতে দেখা যায় শিশুরা মার্চ পাস্ট করছে, তাদের সামনে গির্জার আর্দালি ছড়ি হাতে এগিয়ে আসে। এ ছড়ি যেন শাসনদন্ড। কবি বলতে চান এ মাসনটা যেন একেবারেই বেমানান। ধর্মীয় নৈতিকতা শেখাতে গিয়ে তাদের মন মানসিকতাকে পঙ্গু করা হচ্ছে। দয়া দাক্ষিণ্য যা ধর্মের প্রধান একটি দিক তা যেন একেবারই অনুপস্থিহিত।
কবি কবিতায় শেষ দিকে এসব বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও পরিচালক মন্ডলীদের উপস্থাপন করে ব্যঙ্গ বিদ্রূপ করেছেন। কারণ তারা যে স্থানে আসন নেন তাদের পায়ের নিচে বসে থাকে শিশুরা। কারণ তারা নিজেদেরকে দরিদ্রের অর্থ্যাৎ অসহায় এ শিশুদের অভিভাবক হিসেবে দাবি করলেও এ শিশুদের প্রতি তাদের নেই কোন সামন্যতম করুণা। কবি বলতে চান অসহায় এ শিশুরা যেন দেব শিশু, তাদের যেন অবহেলা না করা হয়।
The Divine Image
কবি উইলিয়াম ব্লেক তাঁর 'The Divine Image' কবিতায় মহান ঈশ্বরের দয়া আর করুণার কথা তুলে ধরেছেন। কবি বলেন মানুষ যখন সংকটে পতিত হয়, তখন তারা মহান ঈশ্বরের আশ্রয় নেয়, দয়া আর করুনা প্রার্থনা করে তাঁর কাছে। মহান ঈশ্বরের ইচ্ছায় মানুষের সংকট কেটে গেলে সবাই মহান ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানায়। কবি বলেন প্রেম, দয়া আর করুণার মালিক মহান ঈশ্বর। তিনি মানুষের পরম পিতা, তাঁর সৃষ্ট জীবকে তিনি সন্তানতুল্য হিসেবে যত্ন নেন, মানব যেন মহান ঈশ্বরের কৃপা আর যত্নের মাঝেই টিকে থাকে।
কবি আরও বলতে চান এই দয়া, করুণা সবই মানুষের উজ্জ্বলতর চেহারার মাঝে ফুটে উঠে, প্রেম আর শক্তিটা যেন মানুষের বাহিরের পোশাক, কবি এখানে পোশাক প্রতীকে মানবের বাহ্যিক আচরণের দিকটির পানে ইঙ্গিত করেছেন। কবি সকল দেশের সকল মানব সমাজকে আহ্বান জানান চরম সংকটে মহান ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা জানাতে। কবি বলেন, এছাড়া মানুষ মানুষকে করুণা করবে, দয়া করবে, ভালবাসবে, সে হোক মূর্তিপূজারী, তুর্কি, মুসলমান কিংবা ইহুদি। কবি বলেন যেখানে প্রেম করুণা আর শক্তির অবস্থান সেখানে মহান ঈশ্বরও অবস্থান করে।
সংস অব এক্সপেরিয়েন্স
কবি উইলিয়াম ব্লেকের 'সংস অব এক্সপেরিয়েন্স' কবিতা গুচ্ছের ভূমিকা অংশের কবিতায় কবি নিজেই যেন চারণ কবির ভূমিকায় অবতীর্ণ। এ চারণে কবি তার মধ্যে দিয়ে কবি তুলে এনেছেন মহান ঈশ্বরের বার্তাবাহককে, সে বার্তাবাহক অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যত সবই প্রত্যক্ষ করেন দিব্যদৃষ্টিতে। আর বার্তাবাহকের পবিত্র এ বাণী চারণ কবি নিজে কান পেতে শুনেছেন। আর এই বাণী সেই মহান বার্তাবাহক (যিশু খ্রিস্ট) হতে এসেছে যে বার্তাবাহক স্বয়ং নিজে স্বর্গীয় উদ্যানে ভ্রমণ করেছেন। স্বর্গচ্যুত আত্মা অর্থ্যাৎ আদম এবং ইভকে তিনি স্বর্গীয় উদ্যানে প্রাচীন সেই বৃক্ষের আড়ালে লজ্জিত অবস্থায় দেখতে পান, সে পতিত আত্মার কান্না।